বুধবার | জুলাই ২২, ২০২০ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৭

সম্পাদকীয়

আলোকপাত

আগামীর অর্থনীতি কী করে সচল করবেন?

ড. এ. কে. এনামুল হক

যত দিন যাচ্ছে ততই অবস্থা সঙ্গিন হচ্ছে। অর্থনীতি ক্রমে স্থবির থেকে স্থবিরতর হচ্ছে। বোঝা যাবে না কী করে হচ্ছে। কারণ এটাই অর্থনীতির নিয়ম। ধীরে ধীরে চারদিক থেকে গুটাতে থাকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যর্থতা নিয়ে এখন আর কিছু করার আছে বলে মনে হয় না। কারণ যা হওয়ার তা হয়েছে। করোনায় তাদের ব্যর্থতা নিয়ে এখন কাব্য লেখা যাবে। দুর্নীতি নিয়ে তাদের রেকর্ড শয়তানও ভাঙতে পারবে কিনা, তা বলা মুশকিল। তাদের প্রতি জনগণের আস্থার পরিমাণ ঝাড়ফুঁকওয়ালাদের চেয়েও কম। অতএব, বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য বা উপদেশ জনগণ আর ধর্তব্যে আনবে কিনা, সন্দেহ রয়েছে। শেষ পর্যন্ত গুটি কয়েক লোকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে একটি মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হলো অথচ তারা সবাই রয়েছেন বহাল তবিয়তে! এর চেয়ে আশ্চর্যজনক কিছু আছে কি? নিয়ে আমার গত লেখার পর পরই দৈবক্রমে সরকারের বহু মহল তত্পর হয়েছে। মিডিয়াও সরগরম। তবে শেষ পর্যন্ত কী হবে তা জানতে হলে ক্যাসিনোবিষয়ক ঘটনাগুলো অনুসরণ করুন। বুঝতে পারবেন কে কোথায় থাকবে আগামীতে।

অর্থনীতির অবস্থা করুণ হচ্ছে। কেবল খাদ্য উৎপাদনই অর্থনীতি নয়। সরকারের উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপের কারণে খাদ্য বিষয়ে আমাদের অবস্থা অনেক ভালো। তবে জানবেন খাদ্য উৎপাদন অর্থনীতির মাত্র ১৩ শতাংশ। সাধারণ হিসেবে এই ১৩ শতাংশের সঙ্গে অর্থনীতিতে আরো ১২-১৩ শতাংশ কর্মকাণ্ড জড়িত (বিতরণ, বাজারজাত, পরিবহন খাতসহ) অর্থাৎ সব মিলিয়ে মাত্র ২৬-৩০ শতাংশ কর্মকাণ্ড এখন সচল। অতএব, অর্থনীতির বাকি ৭০ শতাংশে কী হচ্ছে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এখনই। প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থনীতি অচল থাকলে আমাদের বিপদ কেবল ঘনীভূত হবে। বলছি এই কারণে যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অদক্ষতা এখন অর্থ মন্ত্রণালয়কেও গ্রাস করবে। পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড দেশে তো বটেই, বিদেশেও দেশকে নত করেছে।

দোকানপাট বন্ধ। কেবল ঢাকার একটি বাণিজ্য বিতানেই দিনে এক লাখ কর্মজীবী কাজ করতেন। বাংলাদেশে কতটি বাণিজ্য বিতান আছে ভেবে দেখুন। কত লোক কাজ করতেন, কেবল পরিবহন ব্যবস্থায়? আমার পরিচিত এক ট্রাভেল এজেন্ট এরই মধ্যে তাদের অফিস গুটিয়ে নিয়েছে। কত লোক কাজ করতেন বিনোদন ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায়? কী পরিমাণ হোটেল রিসোর্ট ব্যবসা বন্ধ হয়েছে? স্কুল-কলেজে ছাত্রছাত্রী যাতায়াতে কত লোক কাজ করতেন? কত লোক কাজ করতেন দোকানপাটে? চায়ের দোকানে কত লোক কাজ করতেন? সবই বন্ধ। এখানেই শেষ নয়। যিনি ঋণ করে মোটরসাইকেল কিনে পাঠাওয়ে কাজ করছিলেন, যিনি উবারের গাড়িটি ঋণে কিনেছিলেন? তার অবস্থা কেমন? একই অবস্থা শিল্পেও। এখন যে ব্যাংক আপনার ডিপোজিটের টাকা এসব ব্যবসায় ঋণ দিয়েছিল, তারা যখন টাকাটা ফেরত পাবেন না, তখন আপনার টাকা সেই ব্যাংক কী করে ফেরত দেবে? তবে বেড়েছে কয়েকটি খাতঅনলাইন বাজার, ওষুধ ব্যবসা, অনলাইন ডেলিভারি, অক্সিজেন আর পিপিই-জাতীয় পণ্যের। অনেক স্বাস্থ্য পরীক্ষাকেন্দ্র কিন্তু ব্যবসায় মন্দা দেখছে। বহু লোক ঢাকা ছাড়ছে। বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছে। ব্যবসা হারিয়েছে। জীবিকা হারিয়েছে। সন্তান স্কুল ছাড়িয়েছে এমন মা-বাবার সংখ্যাও কম নয়। ক্রমান্বয়ে স্তব্ধতা বাড়ছে।

অবস্থা থেকে মুক্তি খুব শিগগিরই মিলবে না। যতগুলো টিকার কথা হচ্ছে, তার প্রায় প্রতিটিরই সুর এক। এই টিকার কার্যকারিতা হবে তিন-ছয় মাস। অর্থাৎ প্রতি ছয় মাস পর টিকা নিতে হবে। বছরে দুবার। বুঝতেই পারছেন নতুন ব্যবসার ধান্দায় আছে টিকা কোম্পানিগুলো। এমন লোভনীয় ব্যবসা আর হবে না। এখানেই সরকারি বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে পার্থক্য। আগেও বলেছি, এখনো বলছি, টিকা বিক্রয় করে কোটিপতি হওয়ার মোক্ষম সুযোগ কোনো কোম্পানিই হাতছাড়া করবে না। বছরে দুবার টিকা দিলে তাতে আপনার শরীরের অন্যান্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা টিকে থাকবে কিনা, তা নিয়ে কোনো গবেষণা নেই। ওষুধ কোম্পানি তা করবেও না। অতএব, আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কেবল ব্যক্তিগত প্রস্তুতি নয়, মাস্ক পরা, হাত ধোয়াতেই আমাদের প্রস্তুতি সীমিত হলে চলবে না।

তাই আমাদের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানোর জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কী করা যায় বা কতটুকু করা যায়, সে সম্পর্কে চিন্তা করার সময় এখনই। বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করার জন্যই লেখা। মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন দ্বৈত চিন্তারকী করে বর্তমান কঠিন সময়টি পার করব? আর কী করে আরো কঠিন সময়ে বেঁচে থাকব।

অর্থনীতি কর্মকাণ্ড সচল করা না হলে ক্রমে তা ব্যবসায়ীদের মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়লে নতুন করে অর্থনীতিকে সচল করা কষ্টকর হবে। অনেক ব্যবসায়ী এমনকি রাজনীতিবিদ দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন বা দেয়ার চেষ্টা করছেন। অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা না থাকলে তাতে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে বাধ্য। বুঝতে হবে ব্যবসায়ীরা যতই খারাপ হোন না কেন, তারা কর্মসংস্থান তৈরি করেন। অন্যথায় কর্মসংস্থান তৈরির উপায় হলো স্ব-কর্মসংস্থান অথবা সরকারি কর্মসংস্থান। অতএব, পরিবর্তিত পটভূমিতে ব্যবসায়ী উদ্যোগ সফল করার জন্যও ছাড় দিতে হবে সরকারকে। নচেৎ সবার কাজ পাইয়ে দেয়ার দায় সরকারের ওপর ঠেকবে।

আমাদের পরবর্তী প্রশ্ন হবে নতুন জগতে (করোনা-পরবর্তী) কর্মসংস্থানের ধরন কেমন হবে? আপনি কি আগের মতোই সব করতে পারবেন? এখন পর্যন্ত আমরা যে ধারণা পাই, তাতে তা হবে না। কর্মসংস্থানের ধরন বদলে যাবে। পরিবহন ব্যবস্থায়ও আসবে ব্যাপক পরিবর্তন। আপনার বাসে সিট আছে কিন্তু তাতে কেউ বসবে না। কী করবেন? বাসের বসার আসনে আসবে পরিবর্তন। সিটের বিন্যাস বদলাতে হবে। বর্তমান কাঠামো অচল হবে। এতে বাস ভাড়াই কেবল বাড়বে।

বাংলাদেশেই ঢাকার বাইরে কোনো এক জেলায় এক অটোচালক তৈরি করে ফেলেছেন নতুন আসন ব্যবস্থা। তার ব্যবস্থায় তিনি প্রতিটি সিটের মাঝে পলিথিনের দেয়াল তৈরি করেছেন, যাতে একে অন্যকে স্পর্শ না করতে পারে। বাসের আসনেও তা করতে হবে। নরওয়েতে এক হোটেল মালিক তার রেস্টুরেন্টে কাচের খোপ তৈরি করেছেন, যেখানে কেবল পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসতে পারেন। আগামীতে তাই হবে নতুন নিয়ম। তাই বসে না থেকে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগাতে হবে। যত তাড়াতাড়ি শুরু করবেন ততই মঙ্গল। টিকা আবিষ্কার হলে ভালো, তবে সবাই টিকা না দিলে? কী করবেন? সবাই কিন্তু এখনো মুখোশ পরে না। ছোঁয়াচে রোগ, তাই হয় সবাইকে দিতে হবে নচেৎ অকেজো হবে আমাদের প্রচেষ্টা। অতএব, অন্য সব পরিবর্তনের নতুন নিয়ম চালু করার নির্দেশনা দিন।

মালপত্র ওঠানো-নামানোর জন্য দেখবেন অনেক যন্ত্রের সাহায্যের প্রয়োজন পড়বে। যেন একজনই কাজটুকু করতে পারেন। ভুলে যাবেন না, এক দশক আগেও আমরা ট্রেন থেকে মালপত্র নামানোর জন্য লোক নিয়োগ করতাম কিন্তু এখন? এখন সুটকেসে চাকা থাকায় একাই করি কাজগুলো কিংবা খেয়াল করেছেন বিমানবন্দরে বড় বড় লাগেজ বা মালপত্র নামাতে কেন আমাদের কারো সাহায্য লাগে না? একই ব্যবস্থা সব স্থানে করতে হবে। ট্রেনের প্লাটফর্ম আর ট্রেনের মেঝের মধ্যে উচ্চতার কোনো পার্থক্য থাকবে না। বাসের মেঝে আর বাসের ওঠার স্থানে কোনো উচ্চতার পার্থক্য থাকবে না। বাসে থাকবে না সিঁড়ি। সবই কিন্তু দেশে তৈরি করা সম্ভব। এখনই এসব নিয়ম চালুর ব্যবস্থা করতে হবে। তবেই অতিসহজে চালু হবে অর্থনীতির চাকা। নতুন নিয়মে নতুন অর্থনীতি গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদেরই। তবে দূরত্ব মেনে, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে।

আবারো বলছি, বাড়তি নজর আনতে হবে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা থেকে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গকথাটির বাস্তব প্রয়োগ আনতে হবে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে। বায়ুবাহিত রোগের প্রধান শত্রু দূষিত বাতাস। বাতাসের মান ভালো করার নিয়ম চালু করতে হবে। অনেক কিছুই দেশে করা সম্ভব। দায়িত্ব দিন বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। তাদের কাজ হবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের দেশীয় মান তৈরি করা। বিদেশী মানে হবে না, কারণ তাতে চুরি বাড়বে। তৈরি করুন দেশে, কর্মসংস্থান বাড়বে। নতুন অর্থনীতি তৈরির এই এক সুযোগ।

শিক্ষার ক্ষেত্রেও আনা উচিত বৈপ্লবিক পরিবর্তন। মুখস্থ শিক্ষা বা পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে আগামী দিনের কর্মজীবী তৈরিতে। যে শিক্ষা আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে না, যে জ্ঞান আমরা প্রয়োগ করতে পারি না, তাকে বলে কেরানি তৈরির শিক্ষা। আমরা এখনো সেখানেই পড়ে আছি। ছোটকালে বাটি চালান দিয়ে চোর ধরার গল্প শুনেছিলাম, আমরা এখনো বাটি চালানের যুগে পড়ে আছি। আমরা মনে করি, সবাই চোর, তাই দেখবেন চোর ধরার কৌশল তৈরি নিয়ে ব্যস্ত। বিএ-এমএ পাস করে আমরা কিছু করতে পারি না। বসে থাকি, কেউ চাকরি দিলে তবেই জীবন চলবে। এটা কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা নয়। এটা হলো চোর তৈরির কারখানা। তাই দেখবেন নকল করার ফ্যাক্টরি চালু হয় পরীক্ষার সময়। টোটকা তৈরির কারখানা চালু হয় কতগুলো কোচিং সেন্টারের নামে। তাদের কাজ হলো পরীক্ষা পাসের বটিকা তৈরি করা, যা পরীক্ষায় কাজে লাগবে, জীবনে নয়। আমাদের শিক্ষার গল্প অনেকটা গল্প-উপন্যাসের মতন। গল্পে যেমন ঘটনা থাকে, চড়াই-উতরাই থাকে, টেনশন থাকে কিন্তু শেষ হয় মিলন কিংবা মৃত্যু দিয়ে, তেমনি আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা। এখানেও একইভাবে সবকিছু হয়, তবে শেষ হয় বেকারত্ব অথবা চাকরি দিয়ে।

সব শেষে একটি অভিজ্ঞতার কাহিনী বলছি। ২০ বছর আগের কথা। আমার বাসায় ছেলে ছোট। প্রায়ই সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। কিছুতেই কিছু করা যায় না। ডাক্তারের ধারণা হাঁপানি। ঢাকায় জন্মালে হাঁপানি হবেই। বাতাসের দূষণ অনেক। আমি নিজে পরিবেশ বিষয়ে গবেষণা করি। দেখলাম বাতাসে ভাসমান কণাই হলো বায়ুদূষণ। ঘরের ভেতর কী করে তা কমানো যায়? দেখা গেল, বিজ্ঞান বলে বাতাসে ঋণাত্মক আয়ন তৈরি করা গেলে বাতাসে ধূলিকণা মাটিতে পড়ে যায়, অর্থাৎ ভেসে থাকতে পারে না। তাতে বায়ুদূষণ কমে। বায়ুবাহিত রোগ কমে যায়। সেই থেকে আমি বাড়িতে আয়নাইজার ব্যবহার করে আসছি। আয়না?ইজার বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। অতিসহজে বানানো যায়। কলেজের পদার্থবিদ্যা জানা থাকলেই তা তৈরি করা যায়। আমরা তা করতে পারিনি। কারণ? আমাদের জ্ঞান ব্যবহার উপযোগী হয়নি, অথবা আমাদের দেশে প্রকৃত ব্যবসায়ীর অভাব (সবাই রিজেন্টের সাহেদের মতো পরজীবী বা কমিশন এজেন্ট হতে ব্যস্ত) অথবা দুটোই। বস্তুটি পাওয়া গেল ঢাকার বাজারেই, তবে চীনে তৈরি। অনেকের ধারণা চীনে বিদ্যাশিক্ষার বালাই নেই, অথচ ভাবুন তারাই কেন সবকিছু আমাদের আগে চিন্তা করে তৈরি করতে পারে? জ্ঞান থাকলেই কেবল তৈরি করা যায়। জ্ঞান না থাকলেই নকলের উৎসব হয়। আমাদের শিক্ষকদের দেখবেন, তারাও নকল করে পড়াচ্ছেননিজের কোনো চিন্তা শ্রেণীকক্ষে উপস্থাপন করছেন না। আগে তো শিক্ষকরা পড়াশোনা করে ক্লাসে আসতেন। কিন্তু এখন? এখন তথাকথিত জ্ঞানার্জন সহজ হয়েছে। অনেকেই বুঝতে পারেন না, তথ্য আর জ্ঞানের মাঝে ফারাক কতটুকু। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি থেকে ছাত্র সবাই সারা দিন ইন্টারনেট ঘাঁটেন আর বলেন, নতুন কিছু শিখলাম। আপনি শিক্ষক, তাই এর বদলে বলতে শিখুনআজ আমি নতুন কিছু তৈরি করলাম। নচেৎ রিজেন্টের মালিক আর আমার মাঝে পার্থক্য থাকবে না। শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা ব্যবস্থা বদল করুন। কারণ এর ফলে লাভ হবে কোচিং সেন্টারের, গৃহশিক্ষকের আর ক্ষতি হবে প্রকৃত শিক্ষক আর ছাত্রের। শিক্ষক ছাত্র দুই দলই কেবল পাসে আগ্রহী হবে, শিক্ষাদান বা গ্রহণে নয়। করোনা হয়তোবা আমাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছে।

 

. . কে. এনামুল হক: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন